বাংলাদেশ

আমাদের এই ভূখণ্ড বা দেশের উৎপত্তি হয়েছে মূলত গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা এবং এদের হাজারও শাখা-প্রশাখা বাহিত পলিমাটি দ্বারা। আদিবঙ্গের জন্ম দিয়ে ঐ সমস্ত স্রোতস্বিনী বিলীন হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। পলিমাটি দ্বারা সৃষ্টি এই ভূখণ্ডের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল বঙ্গদেশ বা বাংলাদেশ। ‘বঙ্গ’ শব্দের আভিধানিক মানে হচ্ছে সঙ্কর ধাতু দিয়ে জোড়া লাগানোর দেশ। এ থেকেই ধারণা করা যায়, প্রাচীন সমসাময়িক সভ্যতার কাতারে বঙ্গদেশের স্থান ছিল শীর্ষ পর্যায়ে। কারণ, খনিজ ধাতব পদার্থ যেমন সোনা, লোহা, তামা, কাঁসা, টিন ইত্যাদি সম্পর্কে প্রাযুক্তিক জ্ঞান ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধাতুর ব্যবহারের মাত্রা আজও গণ্য করা হয় সভ্যতার মানদণ্ড হিসাবে। বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর আদিবাসভূমি বঙ্গদেশের রয়েছে একটি ঐতিহাসিক সীমানা। উত্তরে হিমালয়ের গা ঘেঁষে নেপাল, ভুটান, সিকিম, উত্তরপূর্বে আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, অরুণাচল, মেঘালয়, উত্তর-পশ্চিম দিকে দ্বারভাঙ্গা পর্যন্ত ভাগীরথীর অববাহিকার সমতল এবং রাঢ়ভূমি-রাজমহল, সাঁওতাল পরগণা, ছোটনাগপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পশ্চিমবঙ্গের পুরোটাই, বিহারের বীরভূম, মানভূম, কেওঞ্জর, ময়ুরভঞ্জের অরণ্যময় মালভূমি, অঙ্গ, বর্তমানের মিথিলা ও কলিঙ্গ উড়িষ্যার অংশ হিসাবে বাংলাদেশের তথা আদিবঙ্গদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পূর্বে মিয়ানমার আর শ্যামদেশ ঘেষে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। এই সুবিশাল আদিবঙ্গ বা বাংলাদেশের সীমানার মধ্যেই গৌড়, পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, রাঢ়, সুহ্ম, তাম্রলিপ্ত, সমতট, অঙ্গ, বাঙ্গাল, হরিকেল নামের ঐতিহ্যময় জনপদ গড়ে তুলেছিল বঙ্গবাসী বা বাংলাদেশীরা। কোল, ভীল, শবর, পুলিন্দ, হাড়ী, ডোম, চণ্ডাল, সাঁওতাল, মুণ্ডা, ওঁরাও, ভূমিজ, বাগদী, বাউরি, পোদ, মালপাহাড়ি প্রমুখ অন্ত্যজ জনগোষ্ঠীর মিলন এবং তাদের সাথে বহিরাগত নানা রক্তের ধারা মিশে এক হয়ে গড়ে উঠে বঙ্গবাসী কিংবা বাংলাদেশী জাতিসত্তার।

কালের স্রোতে বহিরাগত আগ্রাসী শক্তিদের দ্বারা বাংলাদেশীদের আবাসভূমি খণ্ডিত হলেও ঐতিহাসিক সীমানা একদিন অবশ্যই পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে প্রাকৃতিক নিয়মেই। রাষ্ট্রীয় সীমানা অনিবার্যভাবে অতীতের মতো পরিবর্তনশীল থাকবে আগামীতেও। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রাচীনকালে গড়ে তুলেছিলেন প্রসিদ্ধ জনপদগুলো। সভ্যতার বিকাশ ঘটিয়েছেন, জন্ম দিয়েছিলেন বিস্ময়কর সংস্কৃতি ও শিল্প ঐতিহ্যের। এই ঐতিহ্য আমাদের জাতীয় অধিকার। আজ রাষ্ট্রীয় সীমানা এবং জাতীয়তাবাদ নিয়ে গোষ্ঠীস্বার্থে অযথা যতই বিতর্কের অবতারণা করা হোক না কেন, বাংলাদেশের সচেতন জনগণকে বোকা বানিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা সম্ভব হবে না চিরকাল। তারা তাদের অতীত ঐতিহ্য এবং ন্যায্য অধিকার সময় মতো আদায় করে ছাড়বেই যোগ্য উত্তরসুরি হিসাবে ইন শা আল্লাহ্‌। সমাজ জ্ঞানী এবং বিপ্লবী মাও সে তুং বলেছেন, ‘বিজাতীয়দের স্বার্থে যেসমস্ত জাতিসত্তা এবং তাদের রাষ্ট্রীয় সীমানা বিভিক্ত করা হয়েছে ছলে বলে কৌশলে, তারা একদিন আবার একত্রিত হবে এবং পুনরুদ্ধার করবে তাদের হারানো ভূখন্ড।’ এই বাস্তবতায় লেখকের বিশ্বাস, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অতীত ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করে পূর্ণমর্যাদায় একদিন প্রতিষ্ঠিত করবে প্রকৃত বাংলাদেশ এবং সারা দুনিয়াতে মাথা উঁচু করে দাড়াতে সক্ষম হবে গর্বিত বাংলাদেশী হিসাবে। উদীয়মান সূর্য ক্রমশ পূর্ণতায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে আর তারই আলোকে স্বচ্ছ শতাব্দীকালের ধারায় গঠিত প্রকৃত বাংলাদেশ। এটা লেখকের কাল্পনিক দিবাস্বপ্ন নয়। ইতিহাসের অমোঘ নিয়মেই ভবিষ্যতে একদিন এই স্বপ্ন রূপান্তরিত হবে বাস্তব সত্যে। আমাদের এই দেশের নাম বঙ্গদেশ বা বাংলাদেশ। প্রশ্ন দেখা দেয় ‘বাংলা’ অথবা ‘বাঙ্গালা’ এবং ‘বাঙ্গালী’ শব্দের উৎপত্তি হল কি করে? ঐতিহাসিক পটভূমিকায় আবুল ফজল ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে বাংলা বাঙ্গালা, বাঙ্গালী শব্দের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা হল- প্রাচীন বঙ্গ শব্দের সাথে ‘আল’ শব্দ যুক্ত করে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্‌ বাংলা শব্দের চয়ন করেন। আল শব্দের অর্থ পানি রোধ করার ছোট বড় বাঁধ। অন্যদিকে, সুকুমার সেনের অভিমত হল- প্রথমে বঙ্গ থেকে বাঙ্গালাহ শব্দের সৃষ্টি হয়েছে মুসলিম শাসন আমলে। পারসিক শব্দ বাঙ্গালাহকে পর্তুগীজ দস্যুরা বানিয়েছে বেঙ্গল আর বঙ্গবাসীদের নামকরণ হয় বেঙ্গলী। ইংরেজরা এই পরিভাষাকেই বহাল রাখে তল্পিবাহক চাণক্যদের অনুরোধে। বর্তমান বাংলাদেশে এখনো জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে বিভ্রান্তি পরিলক্ষিত হয়। সমাজের শক্তিধর গোষ্ঠী, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, এবং রাজনীতিবিদরা এই বিভ্রান্তিকে আরও জটিল করে তুলেছেন ক্ষণস্থায়ী ফায়দা লুটার জন্য। এই বিভাজনকারী বিভ্রান্তি নিরসনের জন্য বুদ্ধিজীবীদের যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রয়োজন তাও প্রায় অনুপস্থিত। জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনে পরিষ্কার ভাবে সত্যকে আমাদের জানতে হবে, আমাদের জাতীয়তাবাদ কি? ‘বাংলাদেশী’ না ‘বাঙালী’! আদিবঙ্গ অববাহিকা ও তদসংলগ্ন অঞ্চল যে দক্ষিণএশিয়া উপমহাদেশে প্রাচীন কালে সুপরিচিত, স্ব-বৈশিষ্টে সমুজ্জ্বল একটি উন্নত বিত্তশালী অঞ্চল হিসাবে পরিগণিত হতো তার অসংখ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যে বর্ণিত রয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০-১০০০ সালের মধ্যে ঐতরেয় আরণ্যকে বঙ্গের কথা রয়েছে। মহাভারত ও হরিবংশেও দেখা যায় বঙ্গ প্রসঙ্গ। সুতরাং বাংলাদেশী জনগণকে অর্বাচীন বলে আখ্যায়িত করার কোনও উপায় নেই। রামায়ণেও বঙ্গের উল্লেখ আছে। এদেশের সর্বত্র ক্ষৌম কাপাশিক বস্ত্রশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল বলেও কৌটিল্য বয়ান করেছেন। বরাহ মিহির (৫০০-৫৪৩) খ্রিস্টাব্দে তার ‘বৃহৎ সংহিতা’ গ্রন্থে পূর্বাঞ্চলীয় দেশকে বঙ্গ বলে অবহিত করেছেন। সতীশচন্দ্র মিত্র যশোর, খুলনা, সংলগ্ন দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশকে উপবঙ্গ রূপে সনাক্ত করার প্রয়াস পান।

হিমযুগের পর থেকে বাংলাদেশ কখনো জনশূন্য থাকেনি। পৃথিবীর অন্যান্য মানব সভ্যতার মতো বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীরও বিবর্তন ঘটে ছিল। কারণ, এখানেও প্রত্ন প্রস্তর এবং তাম্র যুগের অস্ত্র সম্ভার ও মুদ্রা পাওয়া গেছে। ভাষার ও আকৃতির ঐক্য হতে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় বাংলাদেশের আদিম জনগোষ্ঠী একটি বিশেষ মানবগোষ্ঠীর বংশধর। এই মানবগোষ্ঠীর সাথে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের চেহারা, গড়ন এবং ভাষার মিল পাওয়া যায় বলেই এদের বলা হয় অস্ট্রো-এশিয়াটিক অথবা অস্ট্রিক। বাংলাদেশের দোরগোড়ায় রাজমহল পাহাড়, সেখানের বনজঙ্গলে বসবাসকারী পাহাড়িদের ছোটো-খাটো গড়ন, চেহারা, গায়ের রং কালো, নাক থ্যাবড়া। বেদ ও নিষাদে যে বর্ণনা আছে তাতে বঙ্গবাসীদের সাথে সিংহলের ভেড্ডাদের হুবহু মিল রয়েছে তাই, এদের নৃতাত্ত্বিক নামকরণ হয় ভেড্ডীড। নিষাদজাতি বলেও এই দুই জনগোষ্ঠীকে আখ্যায়িত করা হয়েছে। প্রাচীন বাংলাদেশে নানা পরিবেশে এবং জল হাওয়ায় দলগত ভাবে মানুষ বসবাস করতো। পরে তাদের রক্তে বহিরাগতদের রক্তের ধারা এসে মিশেছে পর্যটন ও ব্যবসায়িক সূত্রে। বাঁচবার আলাদা আলাদা প্রক্রিয়া এবং ভিনদেশী রক্তের মেলামেশার দরুন স্থান ভেদে চেহারায় বৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়। মননশীলতায়, ভাষায়, সভ্যতার বাস্তব উপাদানে তার প্রচুর ছাপও রয়েছে। বাংলাদেশের মাটি আর সেই মাটিতে নানা নৃতাত্ত্বিক জাতের মিশ্রণের ফলেই বাংলাদেশের জনপ্রকৃতির মাঝে ঐক্যের শেকড় দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়ে আছে।বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীগণের বহিরাগত আর্যদের সাথে কোনও সংশ্রব ছিল না। বাংলা ভাষার বিশ্লেষণ করে পণ্ডিতগণ এই সিদ্ধান্তেই উপনীত হয়েছেন। উপরন্তু, আর্য কিংবা দ্রাবিড় আসলে নরগোষ্ঠীর নাম নয়, ভাষাগোষ্ঠীর নাম মাত্র। একই নরগোষ্ঠীর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ভাষার চলন থাকতে পারে। কাজেই শুধুমাত্র ভাষা দিয়ে কোনও নরগোষ্ঠীর জাতীয় পরিচয় নির্ধারণ যুক্তিগত কারণেই সঠিক নয়। শুধুমাত্র একটি উপাদানের উপর ভিত্তি করে কোনও জাতিসত্তার বিকাশ সম্ভব নয়। জাতীয়তাবাদ গঠনে মূলত ভূখণ্ড, ভাষা, নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ বিশেষ ভূমিকা রাখে। যেকোনো ভূখণ্ডে ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়, জাত, কুল, নির্বিশেষে যখন কোন জনগোষ্ঠী এক সামগ্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ওঠে তখনই জাতীয়তাবাদ প্রাণ পায়। জাতীয়তাবাদ মূলত এক ধরনের অনুভূতি, এক ধরনের আবেগ তাড়িত মানসিকতা, এক ধরনের একাত্মবোধ ও চেতনা যা সৃষ্টি হয় প্রবহমান জীবনধারায়। জাতীয় সংগ্রামের ধারায় গতিশীলতা অর্জন করার জন্য কখন কোন উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে সেটা নির্ভর করে সময়, বাস্তব পরিস্থিতি, সংগ্রামের লক্ষ, জনগণের প্রত্যাশা এবং নেতাদের সিদ্ধান্তের উপর। অতীত সম্পর্কে গৌরববোধ, বর্তমানের সুখ কিংবা বঞ্চনা আর ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্ন জাতীয়তাবাদের চেতনা জাগ্রত করে এবং জনমনে গড়ে তোলে ঐক্যবদ্ধ মূর্ছনা। এ ধরনের ঐক্যবদ্ধ চেতনা যখন সাধারণ জনগণকে একত্রিত করে তখন সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে তা হয়ে ওঠে অপ্রতিরোধ্য। সামাজিক সত্তা হিসাবে সেটা বিভিন্ন মাত্রায় প্রকাশিত হলেই একটি জাতি সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য নৈতিকভাবে প্রস্তুত হয়। বাংলাদেশীদের জাতীয়তাবাদী সংগ্রামের এক পর্যায়ে ভাষা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে এ কথা সত্যি, তাই বলে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদকে বাঙালী জাতীয়তাবাদ বলে আখ্যায়িত করলে সেটা হবে বিভিন্ন নরগোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাজার বছরের ঐতিহ্যে গড়ে ওঠা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের উপর একটি ভাষাগোষ্ঠীর আধিপত্য চাপিয়ে দেয়া। কারণ, বাংলাভাষীর সমার্থক বাঙ্গালী শব্দটি কোনও নরগোষ্ঠীর জাতিগত পরিচিতি নয়, ভাষাগোষ্ঠীর পরিচিতি মাত্র।

Bangladesh

The conspiracy about the geographical boundary and the identity of the people of this part of the Sub Continent started since the British had colonized the Sub Continent to perpetuate their colonial interestand domination. After the British left after giving birth of two countries called Pakistan and Indian Union the same conspiracy was revived in 1971 by the Chanakkys(ruling elites) of India. At the dictation of India the provisional govt of would be Bangladesh had adopted a national fag which did not depict the real historical geographic boundary of real Bangladesh but scinistically only depicted the geographical boundary of the than East Pakistan. But the freedom fighters and conscious people foiled the nefarious design and forced the provisional govt to accept the present national flag which is a rising sun from the green back ground depicting historically green deltaic reagion of firtile Bangladesh. Though defeated, the Chanakkys did not give up their resolve as the geographical boundary and the self identity of the people of Bangladesh is a very important and pertinent factor on the long drawn Indian design in the subcontinent. Therefore, soon after independence when Indian stooge Awami Leauge was saddled at the helm of sate power they started a vigorous crafty campaign to confuse the people on the issue and their allies Moni-Muzaffar gong joined in corus. But these doves had never uttered a word about the natural boundary of ancient Bangladesh nor they said anything about the root of distinct separate selfidentity of the people just to hide the truth from the people. I take the liberty here with my limited knowledge to pen down some facts taken from history to varify the truth about our historical geographical boundary and national identity. This deltaic region of the subcontinent evolved from the silt carried my mighty rivers like Brahmaputra, Padma, Jamuna, Meghna and their handreds and thousands of tributaries brfore melting away into Bay of Bengal.

This firtile and prosperous land was known since ancient time as ‘Bango’. As per dictionary meaning of the word is ‘A land capable to join the pices of metal for usage’. This proves that Bango was one of the country coparable with any other contemporary civilization in the world. Because, the knowhow of usage of metals such as iron, copper, tin, silver, gold, bell metal, bronz etc still is considered at any time as index to judge the standard of civilization of any nation.  

This deltaic region had a historical boundary.

At the North Himalayan foot hill states Nepal, Bhutan, Sikkim. At the North East Asam, Monipur, Mizoram, Nagaland, Tripura, Arunachal, Meghalya. At the North West the whole basin of river Vagirothi upto Darvanga, Rajmahal, Saontal Porgana, Choto Nagpur, Murshidabad, Maldaha, whole of West Bengal, dense forestry on the platue of Birbhum, Manbhum, Keyonjor, Mayurvanjo of Bihar. Ango, Mithila and Kolingo being part of Urisshya had been partf ancient Bango or Bongodesh. At the East Miyanmar and bordaring Sayam upto Bay of Bengal. At the South the Bay of Bengal. Within this vast territorial boundary of ancient Bango great habitats like Goura, Pundro, Borendra, Rahr, Shumvro, Tamrolipto, shomototh, ongo, Bangal, Harikal were established by the Bongobashis or Bangladeshis. Abroginial ethnic people like Kol, Vil, Shabor, Pulind, Hari, Dom, Chondal, Saontal, Munda, Orao, Vumij, Bagdi, Bauri, Podh, Malpahari etc and mixture of foreign blood created a nationhood called Bangobashi or Bangladeshi. In the course of time although, this homeland of the Bangobashis or Bangladeshis were dissected but destined to be united again this being a natural phenomenon. The boundary shall surely change as before in future course of time. Our ancesters had created famous habitats in the past. They have enriched and advanced our astounding cultural and industrial heritage as well as civilization to a glorious hight. We are legitimate claimant of that heritage.

At present a lot of disinformation is being propagated on this issue by the vested interested quarters within and outside the country. I am sure, all these mistchivious propaganda would not be able to hide the truth for ever and the future generation shall be able to regain their historic boundary again. As the great visionary and leader Chairman Mao had said, ‘All nations which had been divided by outsiders through mechanaization or by force shall again reunite and regain their lost territory’.

In view of this, the writer has a conviction that our future generations shall endeavor to regain their lost territory and shall stand head high with due respect in the commity of nations. The red rising sun shall turn into full bright sunshine clearing away the mist and thus the real Bangladesh shall reemerge with its own glorious heritage. This is not a pious dream but a destined reality.

The name of our country is Bangodesh or Bangladesh. Question arises, how the words ‘Bangla’, ‘Bangala’ and ‘Bangali’ were invented? In the historical perspective Mr. Abul fazal in his book ‘Ayin-e-Akbar’ has explained

Sultan Yilias Shah coined the word ‘Bangla’ by adding word ‘al’ with the ancient name of this detaic pice of land ‘Bango’. ‘al’ means small and big barriers to stop the flow of running water. On the other hand Mr. Shukumar Sen opined that word ‘Banglah’ which is a Parsian word was invented by the Muslim rulers from the word ‘Bango’. The Portugees pirates invented the word ‘Bengal’ from the Parsian word ‘Banglah’ and the people were named as ‘Bengali’. The British Raj maintained the same at the request of their lacky the Chanakkays(Hindu upper cast Brahmins the ruling elites).

In todays Bangladesh it seems still there is some ambiguity about our self identity. The powerful coteries of the society and the deceptive politicians are trying to add fuel to fire to create more confusion on this issue. The so called pseudo intellectuals are for some reason best known to them are keeping lips tight without playing their due role. It is imperative to know our identity clearly to establish a rock like solid national unity. For this we must be clear what is our national identity? Are we Bengali or Bangladeshi? Ancient Bango since ages had been well known in the world as a prosperous and civilized land with rich cultural heritage. The ancient history of this region bears testimony of that fact. Between 1400-1000BC in ‘Oitiriyo Oronyok’ Bango has been mentioned. In ‘Maha Bharat’ and ‘Hari bangsha’ much has been written about Bango as well. Therefore, there is no scope to take Bangladeshis as fools or void of their glorious heritage. Even in ‘Ramayana’ Bango has been mentioned many a times. Koutilyo the famous thinker has mentioned about the envious knowhow of the people of Bango in textile products. Boraho Mihir(500-543) in his book ‘Brihoth Shonghita’ has mentioned the eastern part of the sub continent as Bango. Shatish Chandra Mitra tried to name     Jessore, Khulna and some part of the coastal area as ‘Upo Bango’.

Since ice age, Bangladesh never remained with out human habitats. Like many other peole across the world the habitants of this area also had gone through evolutionary process like other civilizations. As armaments and coins made of rocks and metals had also been found here. Simetry in language and size of people suggest the habitants of this land belongs to some particular ethnisity. The anthropologists have found similarities in size, shape, color and language between the people living her with the abroginial people of Australia. That’s why they are called Austro-Asiatic or Austric.

At the door doorstep we have ‘Rajmohol Hills’. The hilly peole living there are short stechared, dark in color, flat nosed. As described in ‘Veda and Nishad’ Bangobashis have similarity with the Sinhalese Veddid people so, they also had been named as Veddid. These two people are also termed there as ‘Nishad Jati’. Later, streem of foreign blood mixed with the locals carried by the travelers and traders. Due to this at places, some difference in looks, character traits, language and mindset can be found on which civilization evolves. Mixture of different blood streem got engrained deeply in the soil of this land and thus we have emerged as a homogenious nation.     

The peole of this deltaic region had no linkage with the outsider Ariyans that has been determined by the scholars after through research on the language. Anyway, Ariyans or Dravidians does not depict any nation but the people who speaks the same language. In a nation one can find people speaking different language. Therefore, language alone can not depict any nation. Language is just one of the many salient factors on which a nation evolves. The basic factors on which a nation and nationalism grows are-

Territorial boundary, language, ethnical identity, cultural heritage and significantly religious belief and values. Within a specific geographical boundary people regardless of color, cast, creed and religious belief gets imbued with same thoughts, ideas and aspiration, nationalism gets life. Nationalism is a kind of immotional feeling, spirit of togetherness. In the course of national struggle which factor would play major role that depends on the nature of the struggle, ground realities, aim, people’s aspiration and decision of the leadership.

Pride about the past heritage, happiness or pain of deprivation and aspiration of a better future streanthen nationalism and unite the people. Such a unified resolve becomes irresistible and the nation with that strength gets prepared to win over any challenge that they confront with.

In our nationalist struggle at a particular juncture language played

pivotal role but even then historically it would be wrong to say as a nation we are Bengalis, that would mean trusting hegemony of a particular linguist group of people over the rest of the nation speaking different languages. No section of the total populous speaking any particular language be it Bangla can’t represent the nation as a whole. They can at the most can be called Bangla speaking people or Bangali.