করাচীর উদ্দেশ্যে যাত্রা

রব্বানির সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিলাম সেই রাতেই করাচী পৌঁছে সেখান থেকেই সুখবরটা খালেদা জিয়াকে জানাবো।হোটেলে ফেরার পর ব্রিগেডিয়ার রফি স্বয়ং ফোন করেডিনারে ডাকতে চাইলেন। বিনয়ের সাথে তাকে জানালাম, সন্ধ্যার ফ্লাইটেই করাচী চলে যেতে হচ্ছে, তাই এবারের মতো ক্ষমা করতে হবে। সব শুনে তিনি বললেন, তাহলে দুপরের লাঞ্চে নিয়ে যেতে আসছেন তিনি স্বয়ং। আর না বলা ঠিক হবে না, পুরনো সম্পর্ক। তাই রাজি হলাম। তিনি আমাকে নিয়ে গেলেন পিণ্ডির ফ্ল্যাশম্যান হোটেলে। আমাদের সময় এটাই ছিল পিণ্ডিতে একমাত্র বিনোদনের জায়গা। পথে যেতে যেতে ব্রিগেডিয়ার রফি পকেট থেকে একটা ফটো বের করে দেখালেন। ফটোটা কোয়েটাতে তার বাসায় ভাবীর সাথে তোলা। ফটোটা দেখিয়ে ব্রিগেডিয়ার রফি পুরনো দিনের স্মৃতিকে তাজা করে তুললেন। খাওয়ার পর ফেরার পথে ব্রিগেডিয়ার রফি রসিকতা করে বললেন এক্সেলেন্সি, তুমি তো আমাদের নাক কেটে দিয়ে গেলে। তবে মন থেকে দোয়া কোরব তোমার প্রচেষ্টার ফলে বেগম খালেদা জিয়া যেন জয়ী হন।হোটেলে পৌঁছে দিয়ে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন ব্রিগেডিয়ার রফি।

সন্ধ্যার ফ্লাইটে করাচী পৌঁছালাম। গোপনীয়তার জন্য ম্যারিয়ট হোটেলে রব্বানির নামে একটা রুম বুক করা হল। রাত্রিতে শুধু ঘুমাব এখানে। বাকি সময় কাটবে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা সাক্ষাত এবং রব্বানির বাসায় তার পরিবারের সাথে। ঠিক করা হল, বিশ্বস্ত বন্ধু শেখ ওবায়েদ-এর অফিস থেকে সকালে স্পর্শকাতর খবরটা খালেদা জিয়াকে জানান হবে।রব্বানি শেখ ওবায়েদের সাথে যোগাযোগ করে সব ব্যবস্থা করে নিলো। সকালে গিয়ে উপস্থিত হলাম শেখ ওবায়েদের অফিসে নির্ধারিত সময়ে।করাচীতে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং শিল্পপতি ধনকুবের শেখ ওবায়েদ। অভিজাত অফিস পাড়ায় বিশাল অফিস। রুচিশীল ভাবে সাজানো। আমরা পৌঁছাতেই সাদর সম্ভাষণ জানালেন শেখ ওবায়েদ।এভাবে কোনও খবর না দিয়ে হঠাৎকরাচীতে কি ব্যাপার? এক্সেলেন্সি একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ গোপন মিশনে আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে এলো।গতরাতেই ফিরেছি ইসলামাবাদ থেকে। জবাব দিলো রব্বানি। দুই এক দিন থাকবো করাচীতে, তারপর ফিরে যাব নাইরোবিতে। কিন্তু তোমার সাথে শুধু দেখা করতে আসিনি, বিশ্বস্ত বন্ধু হিসাবে একটা বিশেষ প্রয়োজনও রয়েছে। তোমার অফিস থেকে দেশে-বিদেশে তোমার সিকিওরড লাইনে কয়েকটা ফোন করবেন বন্ধুবর এক্সেলেন্সি, যদি তোমার কোনও অসুবিধা না হয়। করাচীতে অনেক পরিচিত বন্ধু-বান্ধব থাকা সত্ত্বেও তোমার অফিসটাই সবচেয়ে নিরাপদ মনে করে এক্সেলেন্সিকে নিয়ে এলাম।

রব্বানির কথা শুনে হাস্যে ওবায়েদ বললেন Excellency, you are most welcome. পাশের ঘরেই রয়েছে আমার পার্সোনাল সিকিওরড লাইন, যখনই প্রয়োজন হবে আপনি এই লাইনটা ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারবেন। আমি অফিসে থাকি আর না থাকি তেমন ব্যবস্থাই করে দেয়া হবে।

সব শুনে আমি বললাম অপূর্ব! আমিতাহলেএখনইআপনার পাশের ঘরে যেতে ইচ্ছুক।

নিশ্চয়ই,আসুন।
তিনজনই গিয়ে ঢুকলাম পাশের ঘরে। ছিমছাম একটা প্রাইভেট চেম্বার। টেবিলে সাজানো রয়েছে ৪/৫ টা বিভিন্ন রঙের টেলিফোন সেট। একটা লাল সেটের দিকে ইঙ্গিত করে ওবায়েদ বললেন, এটাই ব্যবহার করবেন আপনি। ঘরটি সাউন্ডপ্রুফ। আমি আর রব্বানি দুটো চেয়ারে বসে পড়লাম। তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী শেখ ওবায়েদ বুঝতে পারলেন আমরা কাজ শুরু করতে চাচ্ছি, তাই তিনি বললেন আমি পাশের ঘরেই থাকছি। প্রয়োজনে ডেকে পাঠাবেন। চলে গেলেন শেখ ওবায়েদ। লালফোনটার রিসিভার হাতে উঠিয়ে নিয়ে ডায়াল করলাম। প্রথম চেষ্টাতেই লাইন কানেক্ট হয়ে গেলো। অন্যপ্রান্তে কেউ একজন ফোন রিসিভ করে বললেন হ্যালো। গলার স্বর শুনে মনে হল কর্নেল মুস্তাফিজুর রাহমান।

আসসালাম, আমি মোহাম্মদ বলছি। ম্যাডামের সাথে কথা বলতে চাই।

ওয়ালাইকুম আসসালাম, প্লিজ ধরুন তাকে দিচ্ছি।

কয়েক মুহূর্তের মধ্যে অপর প্রান্ত থেকে খালেদা জিয়া সালাম জানালেন। কুশলাদি বিনিময়ের পর তাকে জানালাম নির্বাচনের জন্য যত টাকা এবং অন্যান্য যেকোনো সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োজন হবে সেটা আপনি পাবেন। তার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। দু’এক দিনের মধ্যেই লোকজন সার্বিক বিষয়ে আলোচনার জন্য আপনার সাথে মোহাম্মদের রেফারেন্স দিয়ে দেখা কোরবে। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব সেটা আমি কোরলাম। আশা করছি জামায়াতসহ ইসলামী মূল্যবোধ এবং জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী অন্যান্য ছোট ছোট দলগুলোও আপনার সাথে নির্বাচনী জোট বাধবে। তাদের জন্যও আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইন শা আল্লাহ্‌ বিজয় আপনার হবেই। বিজয়ের পর ইচ্ছে হলে যোগাযোগ কোরবেন। নির্বাচনের আগে বিশেষ প্রয়োজন না হলে আমি আর যোগাযোগ কোরব না। আল্লাহ্‌র রহমতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে না। কারণ, এই নির্বাচনের ফলাফলের সাথে জড়িত রয়েছে ১৪ কোটি ধর্মপ্রাণ বাংলাদেশীর ভাগ্য। শেষ করার আগে একটি কথা,

জেনারেল এরশাদকে কোনোও বিষয়েই আপনার বিশ্বাস করা ঠিক হবে না। কারণ, তিনি আওয়ামীলীগ এবং ভারতীয় বলয়ে বাঁধা। রাব্বুল আলামীন আপনাকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন আর বিজয় প্রদান করুন সেই দোয়া করছি।

ভাই, আপনার নিঃস্বার্থ এই অবদান আমার চিরকাল মনে থাকবে। আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে। তাকে কথা বাড়াতে না দিয়ে বললাম

ভাবী,আমি আমাদের সবার তরফ থেকে যাই কোরেছি সেটা আপনার ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, সেটা আমরা করেছি দেশ ও জাতীয় স্বার্থে। আল্লাহ্‌ হাফেজ।বলে লাইন কেটে দিলাম। এরপর ইসলামাবাদে জানিয়ে দিলাম বেগম খালেদাকে সুখবরটা জানিয়ে দেয়া হয়েছে। পাশের ঘরে ফিরে দেখি বন্ধু শেখ ওবায়েদ চা-নাস্তার আয়োজন করে অপেক্ষা করছেন। চা-নাস্তা খেতে খেতে গল্প গুজব করে নিজেদের হাল্কা করে নিয়ে তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বললাম ওবায়েদ ভাই! আপনি আজ একটি ঐতিহাসিক ঘটনার একজন সাক্ষী হয়ে গেলেন। বিশ্বস্ত বন্ধু শেখ ওবায়েদ জানতে চাইলেন

কিভাবে?
যদি কোনোদিন আমার বই ছাপা হয়, সেখানে আপনার আজকের অবদানের কথাও লেখা থাকবে। শেখ ওবায়েদকে কিছুটা বিস্মিত দেখে রব্বানি বললো

ধীরেবন্ধু ধীরে, সময়মতো সবই বুঝতে পারবে। আমরা এবার বিদায় নেবো। বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এলাম ওবায়েদের অফিস থেকে।
আমাদের মিশন এতো সহজেই ফলপ্রসূ হবে সেটা অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিলো। বৃহত্তর স্বার্থে, ন্যায়-এর জন্য এক পা এগুলে আল্লাহ্‌ পাক সহযোগিতার জন্য দশ পা এগিয়ে আসেন। এ যেন পবিত্র কোরআনের সেই উক্তিরই বাস্তব প্রতিফলন! পরদিন ইসলামাবাদ থেকে জানানো হল, ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট লোক ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার সাথে একান্তে সাক্ষাত করে টাকার যোগানসহ কি করে পরিকল্পনার সব কিছু বাস্তবায়ন করা হবে সেই বিষয়ে সব ব্যবস্থা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজও শুরু হয়ে গেছে। আর্থিক এবং অন্যান্য সাহায্য-সহযোগিতার ব্যবস্থা হওয়ায় খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন জোয়ার সৃষ্টি হল দেশজুড়ে। সৃষ্টি হল নির্বাচনী জোট। নির্বাচনী বাতাস বুঝে জেনারেল এরশাদ যাতে খালেদা জিয়ার জোটের প্রতি ঝুঁকে না পড়েন তার একটা পাকা ব্যবস্থা করার জন্য হাসিনা জোর দাবি তোলে, স্বৈরাচারী এরশাদকে সাব জেল এ রাখা চলবে না, তাকে অবিলম্বে নাজিমুদ্দিন রোডের লাল ঘরে পাঠিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে। ফলে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এরশাদকে সাব জেল থেকে শ্রীঘরে পাঠাতে বাধ্য হন। চরম এরশাদ বিরোধী জনমতের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়া নির্দলীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা থেকে স্বাভাবিক কারণেই বিরত থাকেন।
জেলবন্দী অবস্থাতেই জেনারেল এরশাদ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন। এ ছাড়া নিজেকে বাঁচানো এবং রাজনৈতিক ভাবে জীবিত থাকার অন্য কোনও উপায় ছিলনা তার।

আমাদের বন্ধুদের হেদায়েত মতো জামায়াত এবং অন্যান্য ইসলাম পছন্দ ও জাতীয়তাবাদী ছোট ছোট দলগুলো বিএনপির সাথে নির্বাচনী জোট বাঁধে।ফলে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার ঘাটতিও বেশ কিছুটা দূর হয়।এই সমস্ত যোগ-বিয়োগ ছাড়াও আপোষহীন নেত্রী হিসাবে বেগম খালেদা জিয়ার যে ভাবমূর্তি সৃষ্টি হয়েছে তার ফলে জনজোয়ার যে খালেদা জিয়ার পক্ষেই যাবে সে সম্পর্কে আমি নিশ্চিত ছিলাম। সেই জোয়ারেই খালেদা জিয়ার জোটের বিজয় হবে।

Being instigated by Gen. Ershad Rashid-Faruk floated Freedom Party

Both the brother in laws came to the conclusion that with bag full of money in hand and selling themselves to be the champions of the August revolutionary uprising they would be able to capture the state power easily by organizing a political party absolutely under control. And if the funding is stoped then PROGOSH would have a premature death. As a result, rest of us would be forced to do politics ad their henchmen. This is how they would ensure their leadership position in the party. A ridiculous, childish thought and expectation!

However, one day both sat down with us to discuss the proposal of Gen. Ershad and their decision. After listning everything we asked what would happen to PROGOSH?

They said

As Gen. Ershad is providing the opportunity to do open politics we should stop persuing underground politics. They would float a new open political party named Freedom Party(FP) and PROGOSH should merge with Freedom Party.

But when the organizational activities of PROGOSH is progressing rapidly at that point of time if you float another party that would create cofusion within the party and many questions would be raised. It might be difficult to answer the questions raised by the experienced politicians who had decided to do politics with us believing in our motive, aim, political ideology and party manifesto, not for any greed. Still remains lot to be said. The way Gen. Ershad has usurped power on gun point, whether Faruk should participate in the Presidential election or not to provide him legitimacy that too should depend on the decision of the Presidium of PROGOSH. Only the decision of you two may not be agreeable to the majority leaders of the party at the highest level. Besides, we all are fully aware about the miserable consequences that Ex-President Mushtaq and his party had to face right from the start when he embarked on open politics trusting Gen. Zia, the champion of democracy. If we and the Freedom Party also face such consequences then what would be our position? Have you thought about that?

Rashid replied

We had already conveyed our decision to Gen. Ershad. In view of that whoever would agree with our decision we shall go along with them. Those who would differ they have to think what they would be doing.

That means, so long it has been known to all that we are together but now you want to reveal that we are not together. Such devisiveness would prove detrimental to all of us in future. You should have thought about this. Before giving your words to Gen. Ershad both of you should have discussed this matter at least with us. We had taken the initiative to organize PROGOSH after an unanimous decision. What would you say about that?

Col. Faruk said

Then this oppurtunity was not there. Now, as the oppurtunity has come it wouldn’t be right to let it go out of hand that’s why we have given our words to Gen. Ershad. One has to be pragmatic in politics.

Certainly, but that should be done according to the party manifesto.

Rashid thought for a while and said

We had said all that we wanted now you all have to think what you should be doing and inform us your decision.

One has to be pragmatic in politics.

It was evedently clear from their conversation that they would stick to their decision. Their such decision created a serious crisis for us. All of us could understand it would not be possible to carry forward the organizational activities of PROGOSH any longer due to scarcity of fund. Therefore, Shahriar and Huda must slow down their party works. The leaders and the workers have to be informed the reason. They would be told that the dictator Ershad to earn legitimacy to his unlawfull take over has offered the opportunity to Col. Rashid and Col. Faruk to participate in open politics and both of them have decided to accept his offer without consulting any one of us. Most of the leaders of August revolution had differed with them so they would be launching a new party shortly. Under this circumstances, the Presidium of PROGOSH may decide whether PROGOSH should merge with the newly formed party or not. The Presidium decided that PROGOSH would remain underground maintaining its self identity and continue its activities as before. Simulteniously, decision was taken that PROGOSH would have no relation whatsoever with Ershad the dictator. If the present flow of funding is stoped then PROGOSH would move ahead at a speed permited by its self generated financial streanth. But in the mean time a tactial move has to be taken so that Col. Rashid and Col. Faruk can’t do anything untowards tarnishing image of the differing leaders of the August revolution. This was a very significant decision taken by the Presidium. The decision was that Maj. Huda would join Freedom Party first followed by Col. Shahriar to keep both the brother in laws under control.

In the Presidential election Gen. Ershad won with the support of Awami League. Pir Hafez Ji Huzur became second and Col. Faruk secured third position. In the Parliamentary election Gen. Ershad’s Jatiyo Party got the majority seats. Freedom Party won two seats, Maj. Bazlul Huda(Secretary General of freedom Party) and Mr. Mannan, ealder brother of Col. Rashid. BNP boycotted both the elections. Awami League and Jammat e Islami participated in the election. Jamaat failed to win any seat. Sheikh Hasina graced the seat as leader of the opposition in the Parliament. This is how with the support of Awami league Gen. Ershad the Indian agent who took over power at the gun point managed to enjoy state power as an elected President shrouded with the cloak of democracy. He hijacked the politics introduced by Gen. Zia and started ruling the state in similar way. As a result, corruption, nepotism, misrule, exploitation, oppression spread like cancer at every tire of the society right from the grass root up to state level. Thus the national politics had become thoroughly polluted and corrupted.

The condition of BNP the party founded by gen. Zia then under the leadership of Begum Khaleda Zia was very pathetic and precarious under pressure and durace from both Ershad and Hasina. At that time Khaleda Zia, the house wife virtually had nothing to do but looking after the empty cage deserted by the opportunist doves. Every day she used sit at her emplty party office surrounded by a few young leaders and workers of Jubo Dal and Chatra Dal killing flies hovering around the table. It is worthwhile to mention the names who stood by her in those rainy days were Goyeshar Roy, Sayeed, Bulu, Alal, Rizvi, Tariqul and Khoka. Most of the senior leaders like Bodruddoza Choudhury and Col. Oli Ahmed and others seldom visited the party office. But inactivity of Khaleda Zia and BNP could not cow down the conscious people. Gradually the fellow countrymen started raising their voice against the despotic and dictatorial  regime of Gen. Ershad. Anti Ershad movement was gaining streanth all over the country with spontaneous participation of the enraged people. President Gen. Ershad and his party’s popularity was eroding rapidly. At that juncture all the nationalists and beleavers in religious values and commoners across the land had looked towards Khaleda Zia to come forward to organize and lead a mass movement politically against Ershad encashing the anti Ershad sentiment of the people. That expectation gave a new life to inactive BNP and through the anti Ershad movement Khaleda Zia emerged as ‘Desh Netri’(Leader of the Country).

In 1986, when President Gen. Ershad was preparing for the election at that time, largest two political parties Awami League and BNP came to an understanding that they would not participate in any election under Gen. Ershad. But just before the election, after enjoying a secret long drive with Gen. Ershad Sheikh Hasina on return stunning the entire nation had declared that Awami League would be participating in the forthcoming election! And she did so stabbing at the back of the mass movement against Ershad. Jaamat e Islami had also participated in the election following Awami League. Khaleda Zia the supreme leader of BNP remained steadfast and had boycotted the election. Thus, Khaleda Zia earned the image of an uncompromising leader in the eyes of the people. It is being said that during the long drive Gen. Ershad had given Hasina TK.17 Crores for her decision to participate in the election.

Khaleda Zia was becoming more and more popular as the anti Ershad movement was getting intensified with each passing day.

The stage managed election of ‘A’ and ‘B’ teams supported by India added new hight to anti Ershad mass movement. Insecured people were pushed to the wall and had became desperate to oust the dictator from power due to total break down of law order situation, alerming crisis in the economic sector due to wanton corruption, sky rocketing hike in the prices of daily necessities, state terrorism, countless loss of lives of innocent peace loving people including Dr. Milon, Jail, persicution, unnecessary harassment, instability, uncertainity of life and the future.

The players within and outside could realize from the ferocity of anti Ershad movement that his fall was inevitable. Awami League and their mentor India could also read the writings on the wall. So, decision was taken that Awami League would sever its relation with Ershad and after resigning from the Parliament would be a party to the anti

Ershad movement. This decision was taken to save the very existence of Awami League as a party. Jamaat had followed Awami League. Ershad was made to realize that this move was necessary to continue their game. He was also assured as long as he would be toeing their line no harm would be done to him. Surprisingly, being the undisputed supreme leader of the on going movement Khaleda Zia failed to catch the bluff and warmly accepted Hasina as her ally. The politics of Bangladesh is very strange indeed!

When the torrential tide of the movement paralyse any country then every dictator become insane! So was Gen. Ershad. He decided to arrest Khaleda Zia and warrent of arrest was issued. But his mentor India Chanakyas made him understand that if only Khaleda was put behind the bars then Hasina and her Awami League would becom totally isolated from the people so, warrent of arrest needs to be issued against the both. But the main target of the steam rollar of state terrorism should be Khaleda Zia, her BNP and other leaders and workers of her allied parties and like minded organisazions. This is how India managed to keep it’s pawn Hasina active in the playing feild for future. As dicteted most obediently Presidemt Ershad ordered to issue warrant of arrest against both Khaleda and Hasina. Soon after the issuance the warrent of arrest Khaleda Zia was forced to go under ground. But this decision of Gen. Ershad was a boomerang against him. The mass monement turned into a people’s upsurge.

At that crucial juncture, Begum khaleda Zia and all other leaders of her combine gauging the haterate and anti Ershad sentiment of the people decided to assemble sea of people at Dhaka to siege the cantonment to force President Ershad to abdicate from power. ‘Siege the Cantonment’ programe was announced accordingly. Taking the opportunity of that announcement President Ershad to save himself and to retain his power decided to use his last weapon, to declare Martial Law in the country instigated by his cronies. Those who had encouraged him the most to take such a disastrous decision were, Gen. Atik, Gen. Sadek, Gen. Abdur Rahman, Gen. Mannaf, Gen. Nuruddin, Gen. Shawkat, Gen. Mustached Salam, Gen. Mahmudul Hasan, Brig. Nasim, Brig. Mahmud, Brig. Waheed, Brig. Rafiq, Brig. A M S A Amin, Brig. Hafeez, Col. Malek, Col. Ashraf and Col. Naser. Most of them were repatriated officers.

Such a decision would mean pitting the armed forces directly against the people. A civil war would start. Armed forces including all other law enforcing forces would get divided. If the situation goes out of control then President could easily seek help from India under the 25 years treaty of friendship and co-operation, signed between Mujib and Indira still in place. That sought for opportunity would be eagerly accepted by India. The mighty Indian forces would march in from all side. It wouldn’t be impossible to resist that vigorous aggression. After moving in it would not take too long to dispose off their interim pawn Gen. Ershad and crush the people’s upsurge. The NEO-BAKSHALITES under the leadership of Hasina would be brought to power. With the connivance of her government all the nationalists and believers in religious values whatever is left over would be widded out from the vital institutions of the state structure armed forces including all other law enforcing forces and egencies, political arena and every segment of the society. At the same time, all the forces and agencies would be reorganized as the repressive tools of Awami League very carefully to annihilate the opposition. Thus, Bangladesh would become a client state. The nation with Muslim majority would again be enslaved by the Hindus for indefinite period of time. This how the long drawn blue print of Indian Chanakyas that was formulated in ’71 would be materialized.

This can’t ever be accepted by any conscience patriot and a genuine freedom fighter. This is why when Brig. Khaled and Col. Shaffayt jamil being pawns in the hands of India staged an anti national reactionary putch on 2-3ed November’75, we had left the country as a well thought of tactical move though at that time we had enough sreanth to counter them in every way. The exposed leaders of Sena Parishad could manage to organize the historic victorious Sipahi and People’s revolutionary uprising on the 7th November. Col. Taher’s Biplobi Shoinik Sangstha joined Sena Parishad as an ally. Detailed planning was worked out in this regard in a closed door meeting with Col. Taher at the Banga Bhaban before our departure. I had written about this meeting at leanth in my earlier published book Ja Dekhechi, Ja Bujhechi, Ja Korechi. In English the Untold Facts. It might not be possible for the readers to procure this book at present but they can down load it from the two web sites addresses given below if desired.

www.majordalimbubangla.com and www.majordalimbu.com

www.majordalimbubangla.com এবং www.majordalimbu.com

Not to provide any such opportunity, despite of extremely abominable treachery of Gen. Zia, the Sena Parisad, its leaders and workers did not go for any confrontation and had accepted self exiled life temporarily for the greater interst of the country and the nation. Because, they all were dedicated patriots above all expectations and gains. They were never power mongers only for power sake. Their aim was that the people should be empowered to build in true sense an independent, self relient progressive, prosperous and happy Bangladesh based on justice, equality and fraternity. This dream shall be cherished in the heart till the last breath.